শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

৪৮ দলের বিশ্বকাপ নিয়ে দ্বিধায় ফিফা সভাপতি

#
news image

নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা পর সম্মেলন শুরু। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো দুঃখ প্রকাশ করেন এই বিলম্বের জন্য। এই সংবাদ সম্মেলনে ফিফা সভাপতি কাতার বিশ্বকাপের চেয়ে পরের বিশ্বকাপ নিয়ে বেশি কথা বলেছেন। 

কাতার বিশ্বকাপের এখনো দুই ম্যাচ বাকি। এর মধ্যেই ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে। আজ শুক্রবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৬ বিশ্বকাপের ফরম্যাট নিয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। 

ফিফা বিশ্বকাপ এখন আট গ্রুপে চারটি করে দল খেলে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ১৬ গ্রুপে তিনটি করে দল খেলানোর পরিকল্পনা ছিল ফিফার, ‘আমাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ১৬ গ্রুপ করার। গ্রুপের দুই দল নিয়ে পরবর্তী নক আউট।’ 

এই পদ্ধতি হলে গ্রুপ পর্যায়ে কিছু দলের সুবিধা নেয়ার সুযোগ থাকতে পারে। এই বিষয়টি ফিফা সভাপতিও মানছেন,‘বিষয়টি অত্যন্ত আলোচনা যোগ্য। চার দলের গ্রুপই আমার কাছে খুব উপভোগ্য মনে হয়। এই বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচের শেষ মিনিট পর্যন্ত বলতে পারত না। কারা গ্রুপ থেকে নক আউটে যাচ্ছে। ১২ গ্রুপে চার দলও হতে পারে। তিন দল করে ১৬ গ্রুপ না চার দল করে ১২ গ্রুপ এ নিয়ে অনেক ভাবনার বিষয় রয়েছে। সামনে আমার এটা ঠিক করব।’

আজ শুক্রবার সকালে কাতার ফিফার কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সভায় ফিফার আগামী চার বছরের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার পাশ হয়েছে। গত চার বছরের বাজেটের তুলনায় দ্বিগুণ। দ্বিগুণ বাজেটের পেছনে ৪৮ বিশ্বকাপ বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ফিফা সভাপতি বলেন,‘৪৮ দল হওয়ায় টিভি রাইটস, দর্শকসহ সব বাড়বে। ফলে আমাদের রাজস্বও বাড়বে। নিঃসন্দেহে আগামী চার বছরের রাজস্ব বাজেটের মধ্যে বিশ্বকাপটা বড় অংশ।’

ফিফার গত চার বছরে বাজেট ছিল ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার। বাজেটের চেয়ে তারা এক বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে। 

ফুটবল সারা বিশ্বে জনপ্রিয় খেলা হলেও আমেরিকান অঞ্চলে ফুটবল অতটা জনপ্রিয় নয়। ২০২৬ বিশ্বকাপের মাধ্যমে আমেরিকান অঞ্চলেও ফুটবলকে এক নম্বর খেলা প্রতিষ্ঠা করার চ্যালেঞ্জ ফিফার,‘ফুটবল বিশ্বের এক নম্বর খেলা। আমরা চাই বিশ্বের সব জায়গায় এটা এক নম্বর থাকুক। ১৯ ডিসেম্বর থেকে আমরা কাজ শুরু করব (কাতার বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর দিন থেকে আমেরিকা, কানাডা, মেক্সিকো বিশ্বকাপের কাজ শুরু)।

নিজস্ব সংবাদদাতা

১৬ ডিসেম্বর, ২০২২,  8:42 PM

news image

নির্ধারিত সময়ের এক ঘন্টা পর সম্মেলন শুরু। ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো দুঃখ প্রকাশ করেন এই বিলম্বের জন্য। এই সংবাদ সম্মেলনে ফিফা সভাপতি কাতার বিশ্বকাপের চেয়ে পরের বিশ্বকাপ নিয়ে বেশি কথা বলেছেন। 

কাতার বিশ্বকাপের এখনো দুই ম্যাচ বাকি। এর মধ্যেই ফিফা ২০২৬ বিশ্বকাপ নিয়ে পরিকল্পনা শুরু করেছে। আজ শুক্রবার ফিফা সভাপতি জিয়ান্নি ইনফান্তিনো ২০২৬ বিশ্বকাপের ফরম্যাট নিয়ে দ্বিধা প্রকাশ করেছেন। 

ফিফা বিশ্বকাপ এখন আট গ্রুপে চারটি করে দল খেলে। ৪৮ দলের বিশ্বকাপে ১৬ গ্রুপে তিনটি করে দল খেলানোর পরিকল্পনা ছিল ফিফার, ‘আমাদের প্রাথমিক পরিকল্পনা ১৬ গ্রুপ করার। গ্রুপের দুই দল নিয়ে পরবর্তী নক আউট।’ 

এই পদ্ধতি হলে গ্রুপ পর্যায়ে কিছু দলের সুবিধা নেয়ার সুযোগ থাকতে পারে। এই বিষয়টি ফিফা সভাপতিও মানছেন,‘বিষয়টি অত্যন্ত আলোচনা যোগ্য। চার দলের গ্রুপই আমার কাছে খুব উপভোগ্য মনে হয়। এই বিশ্বকাপের শেষ ম্যাচের শেষ মিনিট পর্যন্ত বলতে পারত না। কারা গ্রুপ থেকে নক আউটে যাচ্ছে। ১২ গ্রুপে চার দলও হতে পারে। তিন দল করে ১৬ গ্রুপ না চার দল করে ১২ গ্রুপ এ নিয়ে অনেক ভাবনার বিষয় রয়েছে। সামনে আমার এটা ঠিক করব।’

আজ শুক্রবার সকালে কাতার ফিফার কাউন্সিল সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সেই সভায় ফিফার আগামী চার বছরের জন্য ১১ বিলিয়ন ডলার পাশ হয়েছে। গত চার বছরের বাজেটের তুলনায় দ্বিগুণ। দ্বিগুণ বাজেটের পেছনে ৪৮ বিশ্বকাপ বড় কারণ হিসেবে উল্লেখ করে ফিফা সভাপতি বলেন,‘৪৮ দল হওয়ায় টিভি রাইটস, দর্শকসহ সব বাড়বে। ফলে আমাদের রাজস্বও বাড়বে। নিঃসন্দেহে আগামী চার বছরের রাজস্ব বাজেটের মধ্যে বিশ্বকাপটা বড় অংশ।’

ফিফার গত চার বছরে বাজেট ছিল ৬.৪৪ বিলিয়ন ডলার। বাজেটের চেয়ে তারা এক বিলিয়ন ডলার বেশি আয় করেছে। 

ফুটবল সারা বিশ্বে জনপ্রিয় খেলা হলেও আমেরিকান অঞ্চলে ফুটবল অতটা জনপ্রিয় নয়। ২০২৬ বিশ্বকাপের মাধ্যমে আমেরিকান অঞ্চলেও ফুটবলকে এক নম্বর খেলা প্রতিষ্ঠা করার চ্যালেঞ্জ ফিফার,‘ফুটবল বিশ্বের এক নম্বর খেলা। আমরা চাই বিশ্বের সব জায়গায় এটা এক নম্বর থাকুক। ১৯ ডিসেম্বর থেকে আমরা কাজ শুরু করব (কাতার বিশ্বকাপ শেষ হওয়ার পর দিন থেকে আমেরিকা, কানাডা, মেক্সিকো বিশ্বকাপের কাজ শুরু)।