শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সবার জন্য নিরাপদ জ্বালানি নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের রাষ্ট্রপতির আহ্বান

#
news image

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সবার জন্য নিরাপদ জ্বালানি নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। আগামীকাল ৮ নভেম্বর গণপ্রকৌশল দিবস ২০২২ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান। ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘গণপ্রকৌশল দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আইডিইবি’র সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এবছর আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, সারাবিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবহণ, শিল্প কারখানাসহ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এখন শুধুমাত্র একটি ভোগ্যপণ্য নয় বরং কৌশলগত পণ্য হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে বর্তমানে  বিশ্বব্যাপী  জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির বিপরীতে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রাপ্যতা হ্রাস এবং পরিবেশের ওপর এর বিরূপ প্রভাব গভীর চিন্তার বিষয়। জাতীয় সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যক্রম গ্রহণ এবং নতুন সম্ভাবনাময় টেকসই জ্বালানির অনুসন্ধান করা খুবই জরুরি। 

দেশে শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে শহরের মানুষের ন্যায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীও এখন বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছে। তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির ফলে জাতীয় অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবাইকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানির উৎসের সন্ধানে মনোযোগ দিতে হবে। দেশের চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ও উন্নয়নকে টেকসই রূপ দিতে মানবসম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকৌশল খাতের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইডিইবি জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ সবার জন্য নিরাপদ জ্বালানি নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তিনি আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবসের সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন। 

অনলাইন ডেস্ক

০৭ নভেম্বর, ২০২২,  11:41 PM

news image

রাষ্ট্রপতি মোঃ আবদুল হামিদ সবার জন্য নিরাপদ জ্বালানি নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখতে প্রকৌশলীসহ সংশ্লিষ্টদের প্রতি আহবান জানিয়েছেন। আগামীকাল ৮ নভেম্বর গণপ্রকৌশল দিবস ২০২২ উপলক্ষে আজ এক বাণীতে তিনি এ আহবান জানান। ইনস্টিটিউশন অব ডিপ্লোমা ইঞ্জিনিয়ার্স, বাংলাদেশ (আইডিইবি)’র ৫২তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও ‘গণপ্রকৌশল দিবস ২০২২’ উপলক্ষ্যে রাষ্ট্রপতি আইডিইবি’র সকল সদস্যকে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান। এবছর আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবসের প্রতিপাদ্য ‘টেকসই উন্নয়নে নবায়নযোগ্য জ্বালানি’ বর্তমান প্রেক্ষাপটে যথার্থ হয়েছে বলে তিনি উল্লেখ করেন। 

রাষ্ট্রপতি বলেন, সারাবিশ্বে বিদ্যুৎ উৎপাদন থেকে শুরু করে পরিবহণ, শিল্প কারখানাসহ অর্থনীতির চালিকাশক্তি হিসেবে জীবাশ্ম জ্বালানি ব্যাপকভাবে ব্যবহৃত হচ্ছে। জীবাশ্ম জ্বালানি এখন শুধুমাত্র একটি ভোগ্যপণ্য নয় বরং কৌশলগত পণ্য হিসেবেও বিবেচিত হচ্ছে। তবে বর্তমানে  বিশ্বব্যাপী  জ্বালানি চাহিদা বৃদ্ধির বিপরীতে জীবাশ্ম জ্বালানির প্রাপ্যতা হ্রাস এবং পরিবেশের ওপর এর বিরূপ প্রভাব গভীর চিন্তার বিষয়। জাতীয় সমৃদ্ধি ও টেকসই উন্নয়নের জন্য জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণে জীবাশ্ম জ্বালানির ওপর নির্ভরশীলতা কমিয়ে নবায়নযোগ্য জ্বালানির ব্যবহার বৃদ্ধি, জ্বালানি সাশ্রয়ে কার্যক্রম গ্রহণ এবং নতুন সম্ভাবনাময় টেকসই জ্বালানির অনুসন্ধান করা খুবই জরুরি। 

দেশে শতভাগ বিদ্যুৎতায়ন কর্মসূচি বাস্তবায়নের ফলে শহরের মানুষের ন্যায় গ্রামীণ জনগোষ্ঠীও এখন বিদ্যুতের সুবিধা পাচ্ছে। তবে কোভিড-১৯ মহামারি ও রাশিয়া-ইউক্রেন যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষিতে বিশ্বব্যাপী জীবাশ্ম জ্বালানির অস্বাভাবিক মূল্য বৃদ্ধির ফলে জাতীয় অর্থনীতি চাপের মুখে পড়েছে। ২০৪১ সালের মধ্যে উন্নত ও সমৃদ্ধ বাংলাদেশের অভীষ্ট লক্ষ্য অর্জনের জন্য সবাইকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি ব্যবহারে সাশ্রয়ী হওয়ার পাশাপাশি পরিবেশবান্ধব, সহজলভ্য ও সাশ্রয়ী জ্বালানির উৎসের সন্ধানে মনোযোগ দিতে হবে। দেশের চলমান উন্নয়নের ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ও উন্নয়নকে টেকসই রূপ দিতে মানবসম্পদ উন্নয়নের পাশাপাশি জ্বালানি নিরাপত্তা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

তিনি আশা প্রকাশ করেন, প্রকৌশল খাতের বিশেষায়িত প্রতিষ্ঠান হিসেবে আইডিইবি জনসচেতনতা সৃষ্টিসহ সবার জন্য নিরাপদ জ্বালানি নিশ্চিতে অগ্রণী ভূমিকা রাখবে। তিনি আইডিইবি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী ও গণপ্রকৌশল দিবসের সকল কর্মসূচির সাফল্য কামনা করেন।