শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

দ্বিপাক্ষিক বাণিজ্যে গতি আনতে চায় থাইল্যান্ড

#
news image

থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে ভবিষ্যত ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকার সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সফররত থাই স্থায়ী সচিব চারুয়েনসুয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে এক বৈঠককালে একথা বলেন।
থাই সচিব যত দ্রুত সম্ভব পারস্পারিক সুবিধা বিবেচনায় দু’দেশের মধ্যে জয়েন্ট কমিশন মিটিং অনুষ্ঠানের ওপরও জোর দেন।
বৈঠককালে, তারা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক উপলক্ষ্যে উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উভয় দেশেই উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের এই ৫০ বর্ষপূর্তি উদযাপিত হচ্ছে।
ড. মোমেন বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে থাইল্যান্ডের কাছ থেকে আরো সহায়তা ও অভিজ্ঞতা কামনা করেন- এই খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ খাত, স্বাস্থ্য ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে থাই বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি মানবিক দিক বিবেচনায় বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া নিজ ভূমি থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বিশেষত থাইল্যান্ডের এবং সার্বিকভাবে আসিয়ানের সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চান। মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরীতা নয়’ এই পররাষ্ট্র নীতির আলোকে তার সকল প্রতিবেশী দেশের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। তিনি এই অঞ্চলে বৃহত্তর যোগাযোগ সহজিকরণের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অধিকত আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মোমেন থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টারকে আগামী মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আইওআরএ মিনিস্টারিয়াল বৈঠকে অংশ গ্রহণের অনুরোধ জানান।

অনলাইন ডেস্ক

৩১ অক্টোবর, ২০২২,  12:47 AM

news image

থাইল্যান্ড ও বাংলাদেশের মধ্যে ভবিষ্যত ব্যবসা-বাণিজ্য জোরদারের লক্ষ্যে ঢাকার সাথে একটি মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি (এফটিএ) সম্পন্ন করতে আগ্রহ প্রকাশ করেছে।
পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের এক সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, আজ সফররত থাই স্থায়ী সচিব চারুয়েনসুয়ান পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে ড. এ কে আব্দুল মোমেনের সাথে এক বৈঠককালে একথা বলেন।
থাই সচিব যত দ্রুত সম্ভব পারস্পারিক সুবিধা বিবেচনায় দু’দেশের মধ্যে জয়েন্ট কমিশন মিটিং অনুষ্ঠানের ওপরও জোর দেন।
বৈঠককালে, তারা বাংলাদেশ ও থাইল্যান্ডের মধ্যে ৫০ বছরের কূটনৈতিক সম্পর্ক উপলক্ষ্যে উষ্ণ শুভেচ্ছা বিনিময় করেন। উভয় দেশেই উৎসাহ ও উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে কূটনৈতিক সম্পর্কের এই ৫০ বর্ষপূর্তি উদযাপিত হচ্ছে।
ড. মোমেন বাংলাদেশের পর্যটন খাতের উন্নয়নে থাইল্যান্ডের কাছ থেকে আরো সহায়তা ও অভিজ্ঞতা কামনা করেন- এই খাতে বাংলাদেশের অপার সম্ভাবনা রয়েছে।
এছাড়াও পররাষ্ট্রমন্ত্রী দু’দেশের মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক আরো গভীর করতে বাংলাদেশের অবকাঠামো উন্নয়ন, কৃষি-প্রক্রিয়াকরণ খাত, স্বাস্থ্য ও ফার্মাসিউটিক্যাল খাতে থাই বিনিয়োগের আহ্বান জানান। তিনি মানবিক দিক বিবেচনায় বাংলাদেশে আশ্রয় পাওয়া নিজ ভূমি থেকে জোরপূর্বক বাস্তুচ্যূত রোহিঙ্গা শরণার্থীদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনে বিশেষত থাইল্যান্ডের এবং সার্বিকভাবে আসিয়ানের সক্রিয় ভূমিকা দেখতে চান। মোমেন বলেন, বাংলাদেশ ‘সকলের সাথে বন্ধুত্ব, কারো সঙ্গে বৈরীতা নয়’ এই পররাষ্ট্র নীতির আলোকে তার সকল প্রতিবেশী দেশের সাথে হৃদ্যতাপূর্ণ ও বন্ধুত্ব বজায় রাখার ব্যাপারে দৃঢ়-প্রতিজ্ঞ। তিনি এই অঞ্চলে বৃহত্তর যোগাযোগ সহজিকরণের মাধ্যমে একটি শক্তিশালী ও অধিকত আঞ্চলিক সহযোগিতা গড়ে তোলার প্রয়োজনীয়তার ওপর গুরুত্ব আরোপ করেন।
মোমেন থাই পররাষ্ট্রমন্ত্রী ও ডেপুটি প্রাইম মিনিস্টারকে আগামী মাসে ঢাকায় অনুষ্ঠেয় আইওআরএ মিনিস্টারিয়াল বৈঠকে অংশ গ্রহণের অনুরোধ জানান।