শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

ক্যানসারের উপাদান মেলায় বাজার থেকে শ্যাম্পু তুলে নিচ্ছে ইউনিলিভার

#
news image

ক্যানসারের সম্ভাবনা উস্কে দেওয়া রাসায়নিক উপাদান ‘বেনজিনে’র বিপজ্জনকমাত্রার উপস্থিতি থাকায় বাজার থেকে ডাভ, নেক্সাস, সুভসহ সব ব্র্যান্ডের ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করা শুরু করেছে প্রসাধন সামগ্রী উৎপাদনকারী বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফুডস অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ জারি করে। সেই নোটিশে ইউনিলিভারের ডাভ, নেক্সাস, সুঅভ ও টিগি ব্র্যান্ডের ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যে বেনজিনের উপস্থিতি শনাক্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সেই সঙ্গে এসব ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয় ইউনিলিভারের উদ্দেশে।

এফডিএর নোটিশে বলা হয়, ‘এসব ড্রাই শ্যাম্পুতে যে মাত্রার বেনজিনের উপস্থিতি রয়েছে, তাতে এগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে লিউকেমিয়া ও অন্যান্য ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খাদ্য-পানীয়-ওষুধ-প্রসাধনীর মতো নিত্য ব্যবহার্য পণ্যে এফডিএ কোনও ধরনের ক্ষতিকর উপাদানের দূষণ প্রত্যাশা করে না।’

এফডিএর নোটিশকে আমলে নিয়ে বাজার থেকে নিজেদের সব ধরনের ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করছে ইউনিলিভার। কোম্পানির এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে জানিয়েছেন, যেসব শ্যাম্পু প্রত্যাহার করা হচ্ছে, সেগুলোর প্রায় সবই প্রস্তুত করা হয়েছিল ২০২১ সালের অক্টোবরে।

অ্যারোসল বা স্প্রেভিত্তিক ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের উপস্থিতির অভিযোগ অবশ্য এই প্রথম নয়। গত বছর বহুজাতিক প্রসাধনী কোম্পানি প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল (পি অ্যান্ড জে) কোম্পানির প্রস্তুতকৃত ড্রাই শ্যাম্পু প্যানটিন অ্যান্ড হারবালেও উচ্চমাত্রার বেনজিনের উপস্থিতি শনাক্ত করেছিল মার্কিন গবেষণাগার ভ্যালিস্যুর। মার্কিন এই সংস্থা মূলত স্বাস্থ্যসেবা ও প্রসাধন পণ্যের মান নিয়ে গবেষণা করে। 

২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভ্যালিস্যুরের গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই মাসেই বাজার থেকে প্যানটিন অ্যান্ড হারবাল ব্র্যান্ডের সব ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করে নেয় পি অ্যান্ড জে।

ভ্যালিসুরের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড লাইট ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাবান, শ্যাম্পু, বডি স্প্রেসহ নানা ধরনের প্রসাধন সামগ্রী নিয়ে গবেষণা করছি। গবেষণায় প্রায় প্রতিটি অ্যারোসল বা ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যেই বেনজিনের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছি।’

‘বেশিরভাগ ড্রাই শ্যাম্পুতে বেনজিনের উচ্চমাত্রার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বেনজিনের উচ্চমাত্রার উপস্থিতি রয়েছে— এমন প্রসাধনী দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে এবং আমরা সক্রিয়ভাবে এ বিষয়ে কাজ করছি।’

তবে নিজেদের পণ্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রসঙ্গে ইউনিলিভারের এক কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থন করে ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘আমরা সচেতনভাবে কোনও দূষিত রাসায়নিক উপাদান পণ্যে ব্যবহার করি না। কোন প্রসাধনীতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদন কোন মাত্রা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে এফডিএ যদি কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে আমাদের সুবিধা হবে।’

অনলাইন ডেস্ক

২৭ অক্টোবর, ২০২২,  11:47 PM

news image

ক্যানসারের সম্ভাবনা উস্কে দেওয়া রাসায়নিক উপাদান ‘বেনজিনে’র বিপজ্জনকমাত্রার উপস্থিতি থাকায় বাজার থেকে ডাভ, নেক্সাস, সুভসহ সব ব্র্যান্ডের ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করা শুরু করেছে প্রসাধন সামগ্রী উৎপাদনকারী বহুজাতিক কোম্পানি ইউনিলিভার।

শুক্রবার যুক্তরাষ্ট্রের খাদ্য ও ওষুধ নিয়ন্ত্রণ সংস্থা ফুডস অ্যান্ড ড্রাগস অ্যাডমিনিস্ট্রেশন (এফডিএ) নিজেদের ওয়েবসাইটে একটি নোটিশ জারি করে। সেই নোটিশে ইউনিলিভারের ডাভ, নেক্সাস, সুঅভ ও টিগি ব্র্যান্ডের ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যে বেনজিনের উপস্থিতি শনাক্তের বিষয়টি উল্লেখ করা হয়। সেই সঙ্গে এসব ব্র্যান্ডের শ্যাম্পু বাজার থেকে প্রত্যাহার করে নেওয়ার আহ্বানও জানানো হয় ইউনিলিভারের উদ্দেশে।

এফডিএর নোটিশে বলা হয়, ‘এসব ড্রাই শ্যাম্পুতে যে মাত্রার বেনজিনের উপস্থিতি রয়েছে, তাতে এগুলো দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে লিউকেমিয়া ও অন্যান্য ব্লাড ক্যানসারে আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। খাদ্য-পানীয়-ওষুধ-প্রসাধনীর মতো নিত্য ব্যবহার্য পণ্যে এফডিএ কোনও ধরনের ক্ষতিকর উপাদানের দূষণ প্রত্যাশা করে না।’

এফডিএর নোটিশকে আমলে নিয়ে বাজার থেকে নিজেদের সব ধরনের ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করছে ইউনিলিভার। কোম্পানির এক কর্মকর্তা মার্কিন সংবাদমাধ্যম ব্লুমবার্গকে জানিয়েছেন, যেসব শ্যাম্পু প্রত্যাহার করা হচ্ছে, সেগুলোর প্রায় সবই প্রস্তুত করা হয়েছিল ২০২১ সালের অক্টোবরে।

অ্যারোসল বা স্প্রেভিত্তিক ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যে ক্যানসার সৃষ্টিকারী উপাদানের উপস্থিতির অভিযোগ অবশ্য এই প্রথম নয়। গত বছর বহুজাতিক প্রসাধনী কোম্পানি প্রোক্টর অ্যান্ড গ্যাম্বল (পি অ্যান্ড জে) কোম্পানির প্রস্তুতকৃত ড্রাই শ্যাম্পু প্যানটিন অ্যান্ড হারবালেও উচ্চমাত্রার বেনজিনের উপস্থিতি শনাক্ত করেছিল মার্কিন গবেষণাগার ভ্যালিস্যুর। মার্কিন এই সংস্থা মূলত স্বাস্থ্যসেবা ও প্রসাধন পণ্যের মান নিয়ে গবেষণা করে। 

২০২১ সালের ডিসেম্বরে ভ্যালিস্যুরের গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশের পর ওই মাসেই বাজার থেকে প্যানটিন অ্যান্ড হারবাল ব্র্যান্ডের সব ড্রাই শ্যাম্পু প্রত্যাহার করে নেয় পি অ্যান্ড জে।

ভ্যালিসুরের শীর্ষ নির্বাহী কর্মকর্তা ডেভিড লাইট ব্লুমবার্গকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরেই আমরা বাজারে প্রচলিত বিভিন্ন ব্র্যান্ডের সাবান, শ্যাম্পু, বডি স্প্রেসহ নানা ধরনের প্রসাধন সামগ্রী নিয়ে গবেষণা করছি। গবেষণায় প্রায় প্রতিটি অ্যারোসল বা ড্রাই শ্যাম্পুর মধ্যেই বেনজিনের উপস্থিতি দেখতে পেয়েছি।’

‘বেশিরভাগ ড্রাই শ্যাম্পুতে বেনজিনের উচ্চমাত্রার উপস্থিতি শনাক্ত হয়েছে। বেনজিনের উচ্চমাত্রার উপস্থিতি রয়েছে— এমন প্রসাধনী দীর্ঘদিন ব্যবহার করলে ক্যানসার সৃষ্টি হতে পারে এবং আমরা সক্রিয়ভাবে এ বিষয়ে কাজ করছি।’

তবে নিজেদের পণ্য প্রত্যাহার করে নেওয়ার প্রসঙ্গে ইউনিলিভারের এক কর্মকর্তা আত্মপক্ষ সমর্থন করে ব্লুমবার্গকে বলেছেন, ‘আমরা সচেতনভাবে কোনও দূষিত রাসায়নিক উপাদান পণ্যে ব্যবহার করি না। কোন প্রসাধনীতে বিভিন্ন রাসায়নিক উপাদন কোন মাত্রা পর্যন্ত ব্যবহার করা যাবে, সে বিষয়ে এফডিএ যদি কোনো নির্দেশনা দেয়, তাহলে আমাদের সুবিধা হবে।’