শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

‘রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়’

#
news image

রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় বলে পশ্চিমাদের সতর্ক করেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান জেনারেল এভার্ড জন। বলেছেন, যদি বর্তমান পথ বন্ধ হয়ে যায় তবে, রাশিয়ার দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার সুযোগ রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে রাশিয়ার স্থলবাহিনীর বেশিরভাগ অংশ ইউক্রেনে বাধা পেতে পারে। তবে, তা সত্ত্বেও, আমাদের রাশিয়ান স্থল বাহিনীর যুদ্ধের দ্বিতীয়  ফ্রন্ট খোলার সম্ভাবনাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি রাশিয়ার শক্তিশালী নৌ ও বিমান বাহিনীও রয়েছে।

এই জার্মান জেনারেল বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়া‌ তার নৌবাহিনীর বড় অংশকেই এখনো ব্যবহার করেনি।   সেই সঙ্গে বিমান বাহিনীও এখন পর্যন্ত ব্যাপকভাবে অংশ নেয়নি। যা ন্যাটোর জন্যও হুমকি স্বরূপ।

প্রভাতী খবর ডেস্ক

০১ সেপ্টেম্বর, ২০২২,  10:59 PM

news image

রাশিয়ার সামরিক সক্ষমতাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয় বলে পশ্চিমাদের সতর্ক করেছেন জার্মানির প্রতিরক্ষা বিভাগের প্রধান জেনারেল এভার্ড জন। বলেছেন, যদি বর্তমান পথ বন্ধ হয়ে যায় তবে, রাশিয়ার দ্বিতীয় ফ্রন্ট খোলার সুযোগ রয়েছে।

বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, এই মুহূর্তে রাশিয়ার স্থলবাহিনীর বেশিরভাগ অংশ ইউক্রেনে বাধা পেতে পারে। তবে, তা সত্ত্বেও, আমাদের রাশিয়ান স্থল বাহিনীর যুদ্ধের দ্বিতীয়  ফ্রন্ট খোলার সম্ভাবনাকে অবমূল্যায়ন করা উচিত নয়।

তিনি আরও বলেন, সেনাবাহিনীর পাশাপাশি রাশিয়ার শক্তিশালী নৌ ও বিমান বাহিনীও রয়েছে।

এই জার্মান জেনারেল বলেন, ইউক্রেনের বিরুদ্ধে যুদ্ধে রাশিয়া‌ তার নৌবাহিনীর বড় অংশকেই এখনো ব্যবহার করেনি।   সেই সঙ্গে বিমান বাহিনীও এখন পর্যন্ত ব্যাপকভাবে অংশ নেয়নি। যা ন্যাটোর জন্যও হুমকি স্বরূপ।