শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল

সবার ঢাকা অ্যাপ: অভিযোগের ৬০ শতাংশই মশা নিয়ে

#
news image

আট ধরনের নাগরিক সেবার বিষয়ে অভিযোগ ও সমস্যা জানতে গত বছরের জানুয়ারি মাসে ‘সবার ঢাকা’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আর গত সাত মাসে এই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর সিটি যত অভিযোগ পেয়েছে তার ৬০ শতাংশই মশা সংশ্লিষ্ট।

গত জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সবার ঢাকা অ্যাপে সড়ক, মশক, রাস্তার বাতিসহ আটটি নাগরিক সেবার বিষয়ে সর্বমোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৪৪টি অভিযোগ পায় উত্তর সিটি। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৩৩৪টি অভিযোগ ছিল শুধু মশা নিয়ে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে কম অভিযোগ পড়েছে গণশৌচাগার নিয়ে, সংখ্যায় ২২টি। তাছাড়া রাস্তার সমস্যার নিয়ে ১০ হাজার ২৩৮টি, আবর্জনার সমস্যা নিয়ে ৩২ হাজার ৭৩৬টি, সড়কবাতি নিয়ে ২ হাজার ৫৯০টি, নর্দমার সমস্যা ৪৯২টি, অবৈধ স্থাপনা সংক্রান্ত ৮৫১ এবং জলাবদ্ধতা নিয়ে ৪৮১টি অভিযোগ পায় ডিএনসিসি।

ডিএনসিসি’র সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী— ১ লাখ ১৬ হাজার ১২১টি অভিযোগের প্রতিকার করা হয়েছে, যা মোট অভিযোগের ৯৮ শতাংশ। আর মশা নিয়ে মোট ৬৯ হাজার ৯১৪টি অভিযোগের প্রতিকার করা হয়েছে, যা মোট অভিযোগের ৯৯ শতাংশ।

গণশৌচাগার সংক্রান্ত ২২টি অভিযোগের মধ্যে ১১টির সমাধান করা হয়েছে। অপরদিকে অবৈধ স্থাপনার ৬৪৪টি অভিযোগের সমাধান হয়েছে এবং ২০৭টির প্রতিকার করা সম্ভব হয়নি।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, উত্তর সিটিতে ৫৪টি ওয়ার্ড থাকলেও অ্যাপের মাধ্যমে যে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে তা মূলত ৩৬টি ওয়ার্ডের নাগরিকদের কাছ থেকে পাওয়া। কারণ ৩৭-৫৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলো নতুন, এগুলোতে নাগরিক সুবিধা যেমন সড়ক, নর্দমা, বাতির তেমন উন্নয়ন না হওয়ায় তাদের অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না।

মশা নিয়ে কি ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে— জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান জানান, মশার উৎসস্থল, মশার কীটনাশক না ছিটানোরই অভিযোগগুলো বেশি।

তিনি বলেন, মশার উৎস যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলোর ছবিসহ অভিযোগ করা হয়। সেগুলো যখন ধ্বংস করা হয় সেগুলো সমাধান হয়েছে হিসেবে দেখানো হয়। তাতে আমরা নিশ্চিত হতে পারি কতগুলো উৎসস্থল আছে আর কতগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় প্রতিদিনই কুকুর নিয়ে অভিযোগ পাই তখন আমরা আমাদের ভেটেরিনারি টিম পাঠাই। এ সমস্যা সমাধান করি।

তিনি যোগ করেন, আমরা চাই জনসাধারণ বেশি বেশি করে সমস্যার কথা জানাক, যাতে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।

নিজস্ব প্রতিবেদক

১১ আগস্ট, ২০২২,  10:22 PM

news image

আট ধরনের নাগরিক সেবার বিষয়ে অভিযোগ ও সমস্যা জানতে গত বছরের জানুয়ারি মাসে ‘সবার ঢাকা’ নামে একটি মোবাইল অ্যাপ চালু করে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। আর গত সাত মাসে এই অ্যাপের মাধ্যমে উত্তর সিটি যত অভিযোগ পেয়েছে তার ৬০ শতাংশই মশা সংশ্লিষ্ট।

গত জানুয়ারি থেকে জুলাই মাস পর্যন্ত সবার ঢাকা অ্যাপে সড়ক, মশক, রাস্তার বাতিসহ আটটি নাগরিক সেবার বিষয়ে সর্বমোট ১ লাখ ১৭ হাজার ৭৪৪টি অভিযোগ পায় উত্তর সিটি। এর মধ্যে ৭০ হাজার ৩৩৪টি অভিযোগ ছিল শুধু মশা নিয়ে।

তথ্য বিশ্লেষণে দেখা যায়, সবচেয়ে কম অভিযোগ পড়েছে গণশৌচাগার নিয়ে, সংখ্যায় ২২টি। তাছাড়া রাস্তার সমস্যার নিয়ে ১০ হাজার ২৩৮টি, আবর্জনার সমস্যা নিয়ে ৩২ হাজার ৭৩৬টি, সড়কবাতি নিয়ে ২ হাজার ৫৯০টি, নর্দমার সমস্যা ৪৯২টি, অবৈধ স্থাপনা সংক্রান্ত ৮৫১ এবং জলাবদ্ধতা নিয়ে ৪৮১টি অভিযোগ পায় ডিএনসিসি।

ডিএনসিসি’র সরবরাহ করা তথ্য অনুযায়ী— ১ লাখ ১৬ হাজার ১২১টি অভিযোগের প্রতিকার করা হয়েছে, যা মোট অভিযোগের ৯৮ শতাংশ। আর মশা নিয়ে মোট ৬৯ হাজার ৯১৪টি অভিযোগের প্রতিকার করা হয়েছে, যা মোট অভিযোগের ৯৯ শতাংশ।

গণশৌচাগার সংক্রান্ত ২২টি অভিযোগের মধ্যে ১১টির সমাধান করা হয়েছে। অপরদিকে অবৈধ স্থাপনার ৬৪৪টি অভিযোগের সমাধান হয়েছে এবং ২০৭টির প্রতিকার করা সম্ভব হয়নি।

ডিএনসিসি সূত্রে জানা গেছে, উত্তর সিটিতে ৫৪টি ওয়ার্ড থাকলেও অ্যাপের মাধ্যমে যে অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে তা মূলত ৩৬টি ওয়ার্ডের নাগরিকদের কাছ থেকে পাওয়া। কারণ ৩৭-৫৪ নম্বর ওয়ার্ডগুলো নতুন, এগুলোতে নাগরিক সুবিধা যেমন সড়ক, নর্দমা, বাতির তেমন উন্নয়ন না হওয়ায় তাদের অভিযোগ নেওয়া হচ্ছে না।

মশা নিয়ে কি ধরনের অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে— জানতে চাইলে ঢাকা উত্তর সিটির প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. জোবায়দুর রহমান জানান, মশার উৎসস্থল, মশার কীটনাশক না ছিটানোরই অভিযোগগুলো বেশি।

তিনি বলেন, মশার উৎস যেগুলো পাওয়া যায় সেগুলোর ছবিসহ অভিযোগ করা হয়। সেগুলো যখন ধ্বংস করা হয় সেগুলো সমাধান হয়েছে হিসেবে দেখানো হয়। তাতে আমরা নিশ্চিত হতে পারি কতগুলো উৎসস্থল আছে আর কতগুলো ধ্বংস করা হয়েছে।

তিনি আরও বলেন, আমরা প্রায় প্রতিদিনই কুকুর নিয়ে অভিযোগ পাই তখন আমরা আমাদের ভেটেরিনারি টিম পাঠাই। এ সমস্যা সমাধান করি।

তিনি যোগ করেন, আমরা চাই জনসাধারণ বেশি বেশি করে সমস্যার কথা জানাক, যাতে আমরা ব্যবস্থা নিতে পারি।