শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সারের সংকট নেই, মজুতও আগের চেয়ে বেশি: কৃষিমন্ত্রী

#
news image

এ মুহূর্তে দেশে সারের কোনো সংকট নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, মজুতও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আছে। গতকাল মঙ্গলবার সারবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা শেষে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন উপস্থিত ছিলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে দীর্ঘক্ষণ পর্যালোচনা করেছি সার নিয়ে। আমাদের এ মুহূর্তে সারের কোনো সংকট নেই। আমাদের প্রতি বছর ২৬ লাখ টন ইউরিয়া সার প্রয়োজন। টিএসপি সাড়ে ৭ লাখ টন, ডিএপি সাড়ে ১৬ লাখ টন, এমওপি সাড়ে ৭ লাখ টন লাগে। আজ পর্যন্ত আমাদের মজুদে কোনো সমস্যা হয়নি। এ পর্যন্ত টিএসপি, এমওপি ও ডিএপির মজুত আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি আছে। ইউরিয়া যেটুকু প্রয়োজন সেটাই আছে।

তিনি বলেন, সামনে কি হবে সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। গত বছর (২০২১ সালে) আমাদের যেটুকু চাহিদা ছিল সেটুকুই নির্ধারণ করেছি। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রতি বছরই অর্থবছরের শেষে আমরা আগামী অর্থবছরের জন্য কি পরিমাণ সার প্রয়োজন সেটি নির্ধারণ করি। এ বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য এমন নীতি বা কৌশল নেবো, যাতে করে কৃষি উৎপাদন কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। সার নিয়ে আমাদের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। সার না পেয়ে ১৯৯৫ সালে ১৮ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছে। তারা কোনো সাহায্য চায়নি, তারা শুধু ন্যায্য মূল্যে সার চেয়েছিলেন, এজন্য তাদের রক্ত দিতে হয়েছে। আমাদের অর্থনীতির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে একটি হলো কৃষি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষির গুরুত্ব আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের জীবিকা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। এজন্য সারের বিষয়টি অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখি। প্রধানমন্ত্রী সেই নির্দেশ দিয়েছেন, সার ব্যবস্থাপনায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়। সার নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষির উৎপাদন আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে, কোনোক্রমেই যেন আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল না হই। আকস্মিক ঢলে হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার থাকবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক। আগামী আউশে এ কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। উজানের ঢলে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাওরে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গত সোমবার এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। হাওরে কতটুকু বোরো ধান নষ্ট হয়েছে-জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখনও সেই সময় হয়নি। এখন মেঘ আকাশে, আমি কৃষিমন্ত্রী হিসেবে সব সময়ই একটা আতংকের মধ্যে থাকি, আমাদের চিন্তিত করে। প্রকৃতির উপর তো আমাদের হাত নেই। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদেও আলোচনা করেছি, এমনিও যোগাযোগ রাখছি। তিনি বলেছেন, দেখো, প্রস্তুতি রাখো যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। দু’দিনে অস্বাভাবিকভাবে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, আবার ১৪/১৫ তারিখে ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মেঘালয়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই বৃষ্টি যদি আল্লাহ সরিয়ে নেন বা কোন পরির্তন হয়- এটাই আমরা আশা করি। তিনি বলেন, বোরোতে প্রতি বছর আমাদের ২ কোটি টন ধান উৎপাদন হয়, এরমধ্যে ১২ লাখ টন হয় হাওরে, যেটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ১২ লাখ টনও বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। এটা আপনাদের জানা দরকার।

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে আবদুর রাজ্জাক বলেন, অবশ্যই আমাদের প্রণোদনা আছে। ওখানে আমন ওইভাবে হয় না, একটাই ফসল। আমরা ইতোমধ্যে কর্মসূচি নিয়েছি আউশে প্রণোদনা দেওয়ার জন্য। ক্ষয়ক্ষতি মেটানোর জন্য অবশ্যই চাষিদের পাশে এ সরকার থাকবে।

সারের ডিলারদের অনিয়ম বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা এমন হয়। এ মুহূর্তে সার নিয়ে তেমন সমস্যা নেই। আমি মিটিংয়ের আগেও অনেক চাষিদের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে কোন অনিয়ম হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ সারের জন্য মানুষকে রক্ত দিতে হয়েছে, রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। কাজেই এখানে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছি। সমন্বয়েরও ইনশাআল্লাহ কোনো সমস্যা নেই।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ছিল ৯ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি ৩০ হাজার কোটি টাকা। ইউক্রেনের যুদ্ধ, সবকিছু মাথায় রেখে বাজেট আসতেছে। সারে ভর্তুকি বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাহলে তো এ ৩০ হাজার কোটি টাকারই একটা সংস্থান রাখতে হবে। এটা থেকে তো পিছানোর সুযোগ নেই। সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী ও কমিটির সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলাইকৃষ্ণ হাজরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রখ/ সাদ্দাম

 

নিজস্ব প্রতিবেদক

১২ এপ্রিল, ২০২২,  8:11 AM

news image

এ মুহূর্তে দেশে সারের কোনো সংকট নেই জানিয়ে কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক বলেন, মজুতও আগের যেকোনো সময়ের চেয়ে বেশি আছে। গতকাল মঙ্গলবার সারবিষয়ক জাতীয় সমন্বয় ও পরামর্শক কমিটির সভা শেষে কৃষিমন্ত্রী এ কথা জানান।

কৃষিমন্ত্রীর সভাপতিত্বে সভায় শিল্পমন্ত্রী নুরুল মজিদ মাহমুদ হুমায়ূন উপস্থিত ছিলেন। কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমরা আজকে দীর্ঘক্ষণ পর্যালোচনা করেছি সার নিয়ে। আমাদের এ মুহূর্তে সারের কোনো সংকট নেই। আমাদের প্রতি বছর ২৬ লাখ টন ইউরিয়া সার প্রয়োজন। টিএসপি সাড়ে ৭ লাখ টন, ডিএপি সাড়ে ১৬ লাখ টন, এমওপি সাড়ে ৭ লাখ টন লাগে। আজ পর্যন্ত আমাদের মজুদে কোনো সমস্যা হয়নি। এ পর্যন্ত টিএসপি, এমওপি ও ডিএপির মজুত আগের যে কোনো সময়ের চেয়ে বেশি আছে। ইউরিয়া যেটুকু প্রয়োজন সেটাই আছে।

তিনি বলেন, সামনে কি হবে সেজন্য আমাদের প্রস্তুতি নিতে হবে। গত বছর (২০২১ সালে) আমাদের যেটুকু চাহিদা ছিল সেটুকুই নির্ধারণ করেছি। আব্দুর রাজ্জাক বলেন, প্রতি বছরই অর্থবছরের শেষে আমরা আগামী অর্থবছরের জন্য কি পরিমাণ সার প্রয়োজন সেটি নির্ধারণ করি। এ বিষয়টি বাস্তবায়নের জন্য এমন নীতি বা কৌশল নেবো, যাতে করে কৃষি উৎপাদন কোনো বাধা সৃষ্টি না হয়। সার নিয়ে আমাদের কিছু তিক্ত অভিজ্ঞতা রয়েছে। সার না পেয়ে ১৯৯৫ সালে ১৮ জন কৃষককে জীবন দিতে হয়েছে। তারা কোনো সাহায্য চায়নি, তারা শুধু ন্যায্য মূল্যে সার চেয়েছিলেন, এজন্য তাদের রক্ত দিতে হয়েছে। আমাদের অর্থনীতির তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ের মধ্যে একটি হলো কৃষি। খাদ্য নিরাপত্তা নিশ্চিতে কৃষির গুরুত্ব আগেও ছিল আগামীতেও থাকবে। দেশের প্রায় ৭০ ভাগ মানুষের জীবিকা কোনো না কোনোভাবে কৃষির সঙ্গে জড়িত। এজন্য সারের বিষয়টি অনেক গুরুত্ব দিয়ে দেখি। প্রধানমন্ত্রী সেই নির্দেশ দিয়েছেন, সার ব্যবস্থাপনায় যাতে কোনো সমস্যা না হয়। সার নিয়ে আমাদের কোনো সমস্যা হয়নি। আব্দুর রাজ্জাক আরও বলেন, কৃষির উৎপাদন আমাদের অব্যাহত রাখতে হবে, কোনোক্রমেই যেন আমরা বিদেশের ওপর নির্ভরশীল না হই। আকস্মিক ঢলে হাওরাঞ্চলের ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের পাশে সরকার থাকবে বলে জানিয়েছেন কৃষিমন্ত্রী মো. আবদুর রাজ্জাক। আগামী আউশে এ কৃষকদের প্রণোদনা দেওয়ার কর্মসূচি নেওয়া হচ্ছে বলেও জানান তিনি। উজানের ঢলে সুনামগঞ্জের হাওর এলাকায় ফসল রক্ষা বাঁধ ভেঙে বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।

হাওরে প্রায় ৫ হাজার হেক্টর জমির বোরো ধান ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে গত সোমবার এক অনুষ্ঠানে জানিয়েছেন পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী জাহিদ ফারুক। হাওরে কতটুকু বোরো ধান নষ্ট হয়েছে-জানতে চাইলে কৃষিমন্ত্রী বলেন, এখনও সেই সময় হয়নি। এখন মেঘ আকাশে, আমি কৃষিমন্ত্রী হিসেবে সব সময়ই একটা আতংকের মধ্যে থাকি, আমাদের চিন্তিত করে। প্রকৃতির উপর তো আমাদের হাত নেই। আমি প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে সংসদেও আলোচনা করেছি, এমনিও যোগাযোগ রাখছি। তিনি বলেছেন, দেখো, প্রস্তুতি রাখো যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলা করার জন্য। দু’দিনে অস্বাভাবিকভাবে ৩০০ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে, আবার ১৪/১৫ তারিখে ভারতের চেরাপুঞ্জি ও মেঘালয়ে বৃষ্টির পূর্বাভাস রয়েছে। সেই বৃষ্টি যদি আল্লাহ সরিয়ে নেন বা কোন পরির্তন হয়- এটাই আমরা আশা করি। তিনি বলেন, বোরোতে প্রতি বছর আমাদের ২ কোটি টন ধান উৎপাদন হয়, এরমধ্যে ১২ লাখ টন হয় হাওরে, যেটা ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। তবে ১২ লাখ টনও বাংলাদেশের জন্য অনেক বড় ব্যাপার। এটা আপনাদের জানা দরকার।

হাওরে ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকদের প্রণোদনা দেয়া হবে কি না, জানতে চাইলে আবদুর রাজ্জাক বলেন, অবশ্যই আমাদের প্রণোদনা আছে। ওখানে আমন ওইভাবে হয় না, একটাই ফসল। আমরা ইতোমধ্যে কর্মসূচি নিয়েছি আউশে প্রণোদনা দেওয়ার জন্য। ক্ষয়ক্ষতি মেটানোর জন্য অবশ্যই চাষিদের পাশে এ সরকার থাকবে।

সারের ডিলারদের অনিয়ম বিষয়ক এক প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী বলেন, ‘বিচ্ছিন্ন ঘটনা এমন হয়। এ মুহূর্তে সার নিয়ে তেমন সমস্যা নেই। আমি মিটিংয়ের আগেও অনেক চাষিদের সঙ্গে কথা বলেছি। তবে কোন অনিয়ম হলে অবশ্যই তাদের বিরুদ্ধে শাস্তিমূলক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এখানে ছাড় দেওয়ার কোনো সুযোগ নেই। এ সারের জন্য মানুষকে রক্ত দিতে হয়েছে, রাজপথ রঞ্জিত হয়েছে। কাজেই এখানে ছাড় দেয়ার কোনো সুযোগ নেই। আমরা শিল্প মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে কাজ করছি। সমন্বয়েরও ইনশাআল্লাহ কোনো সমস্যা নেই।

কৃষিমন্ত্রী বলেন, আমাদের ছিল ৯ হাজার কোটি টাকা, কিন্তু আমরা ভর্তুকি দিচ্ছি ৩০ হাজার কোটি টাকা। ইউক্রেনের যুদ্ধ, সবকিছু মাথায় রেখে বাজেট আসতেছে। সারে ভর্তুকি বাড়ানোর বিষয়ে এখনও সরকারের কোনো পরিকল্পনা নেই। তাহলে তো এ ৩০ হাজার কোটি টাকারই একটা সংস্থান রাখতে হবে। এটা থেকে তো পিছানোর সুযোগ নেই। সভায় কৃষি মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত স্থায়ী কমিটির সভাপতি মতিয়া চৌধুরী ও কমিটির সদস্য জোয়াহেরুল ইসলাম, কৃষি সচিব মো. সায়েদুল ইসলাম, শিল্প সচিব জাকিয়া সুলতানা, কৃষি মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব বলাইকৃষ্ণ হাজরা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।

প্রখ/ সাদ্দাম