শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

দেশের মোট জনসংখ্যা ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার

#
news image

সরকারি হিসেবে ১১ বছরে দেশের জনসংখ্যা দুই কোটি ১১ লাখ বেড়ে ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন হয়েছে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ বেশি, ২০১১ সালে ছিল পরিস্থিতি ছিল উল্টো।

এক দশক আগের মতই দেশের বেশিরভাগ লোক এখনও গ্রামে বাস করে। কিন্তু গ্রামের জনসংখ্য যেখানে বেড়েছে ৩০ লাখের কম, সেখানে শহরের জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটি।

বুধবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার এই প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

গত ১৫ জুন সারা দেশে একযোগে জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম শুরু হয়। ২১ জুন সে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে তা ২৮ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তার এক মাসের মাথায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন এ অনুষ্ঠানে তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরলেন।

সেখানে বলা হয়, বর্তমানে মোট জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন। আর নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬। আর হিজড়ার আছেন ১২ হাজার ৬২৯ জন।

২০২১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণননায় দেশের জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন।

সে সময় পুরুষ ছিলেন ৭ কোটি ২১ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ জন, নারী ছিলেন ৭ কোটি ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯০১ জন। সে সময় ট্রান্সজেন্ডারদের আলাদাভাবে গণনা করা হয়নি।

তার আগে ২০০১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন। প্রথম আদমশুমারিতে ১৯৭৪ সালে দেশের জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।

দিলদার বলেন, শুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশে জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার কমছে।

এবারের শুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ শতাংশ, যা ২০১১ সালে ছিল ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০০১ সালে ছিল ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৭ জুলাই, ২০২২,  9:06 PM

news image

সরকারি হিসেবে ১১ বছরে দেশের জনসংখ্যা দুই কোটি ১১ লাখ বেড়ে ১৬ কোটি ৫১ লাখ ৫৮ হাজার ৬১৬ জন হয়েছে।

জনশুমারি ও গৃহগণনা ২০২২ এর প্রাথমিক প্রতিবেদন বলছে, বর্তমানে দেশে পুরুষের চেয়ে নারীর সংখ্যা প্রায় ১৬ লাখ বেশি, ২০১১ সালে ছিল পরিস্থিতি ছিল উল্টো।

এক দশক আগের মতই দেশের বেশিরভাগ লোক এখনও গ্রামে বাস করে। কিন্তু গ্রামের জনসংখ্য যেখানে বেড়েছে ৩০ লাখের কম, সেখানে শহরের জনসংখ্যা প্রায় দুই কোটি।

বুধবার ঢাকার বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে এক অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রথম ডিজিটাল জনশুমারি ও গৃহগণনার এই প্রাথমিক প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়।

গত ১৫ জুন সারা দেশে একযোগে জনশুমারি ও গৃহগণনা কার্যক্রম শুরু হয়। ২১ জুন সে কাজ শেষ হওয়ার কথা থাকলেও কয়েকটি জেলায় বন্যার কারণে তা ২৮ জুন পর্যন্ত বাড়ানো হয়। তার এক মাসের মাথায় পরিসংখ্যান ব্যুরোর প্রকল্প পরিচালক দিলদার হোসেন এ অনুষ্ঠানে তাদের প্রাথমিক প্রতিবেদনের বিভিন্ন দিক তুলে ধরলেন।

সেখানে বলা হয়, বর্তমানে মোট জনসংখ্যার মধ্যে পুরুষের সংখ্যা ৮ কোটি ১৭ লাখ ১২ হাজার ৮২৪ জন। আর নারীর সংখ্যা ৮ কোটি ৩৩ লাখ ৪৭ হাজার ২০৬। আর হিজড়ার আছেন ১২ হাজার ৬২৯ জন।

২০২১ সালের আদমশুমারি ও গৃহগণননায় দেশের জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন।

সে সময় পুরুষ ছিলেন ৭ কোটি ২১ লাখ ৯ হাজার ৭৯৬ জন, নারী ছিলেন ৭ কোটি ১৯ লাখ ৩৩ হাজার ৯০১ জন। সে সময় ট্রান্সজেন্ডারদের আলাদাভাবে গণনা করা হয়নি।

তার আগে ২০০১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল ১২ কোটি ৪৩ লাখ ৫৫ হাজার ২৬৩ জন। ১৯৯১ সালে ছিল ১০ কোটি ৬৩ লাখ ১৪ হাজার ৯৯২ জন। ১৯৮১ সালে ছিল ৮ কোটি ৭১ লাখ ১৯ হাজার ৯৬৫ জন। প্রথম আদমশুমারিতে ১৯৭৪ সালে দেশের জনসংখ্যা পাওয়া গিয়েছিল ৭ কোটি ১৪ লাখ ৭৯ হাজার ৭১ জন।

দিলদার বলেন, শুমারির তথ্য অনুযায়ী দেশে জনসংখ্যার বার্ষিক গড় বৃদ্ধির হার কমছে।

এবারের শুমারি অনুযায়ী জনসংখ্যা বৃদ্ধির হার ১ দশমিক ২২ শতাংশ, যা ২০১১ সালে ছিল ১ দশমিক ৪৬ শতাংশ, ২০০১ সালে ছিল ১ দশমিক ৫৮ শতাংশ।

পরিকল্পনামন্ত্রী এম এ মান্নানের সভাপতিত্বে এ অনুষ্ঠানে জাতীয় সংসদের স্পিকার ড. শিরীন শারমিন চৌধুরী, জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী ফরহাদ হোসেন, পরিকল্পনা প্রতিমন্ত্রী অধ্যাপক শামসুল আলমও উপস্থিত ছিলেন।