শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

বন্যায় মৃতের সংখ্যা বেড়ে ৭৩

#
news image

বন্যার সময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট কিছু দুর্ঘটনায় সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে। এর মধ্যে শুধু পানিতে ডুবেই ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ১৭ মে থেকে আজ পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১০ জেলায় গত ৩৮ দিনে ৭৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে ২৬ জন, মৌলভীবাজারে ৩ জন এবং হবিগঞ্জে ২ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, নেত্রকোণা জেলায় ৮ জন, জামালপুর জেলায় ৬ জন এবং শেরপুর জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ৩ জনের।

রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রংপুর জেলায় কারো মৃত্যু হয়নি। কুড়িগ্রামে ৩ জন এবং লালমনিরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বন্যায় সারা দেশে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৭ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন, একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে পানিতে ডুবে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়।

চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৩৫ জন, মারা গেছেন ৮ জন।

নিজস্ব প্রতিবেদক

২৪ জুন, ২০২২,  11:40 PM

news image

বন্যার সময় নানা রোগে আক্রান্ত হয়ে এবং বন্যা সৃষ্ট কিছু দুর্ঘটনায় সারা দেশে মৃতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭৩ জনে। এর মধ্যে শুধু পানিতে ডুবেই ৪৯ জনের মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর। গত ১৭ মে থেকে আজ পর্যন্ত এসব মৃত্যুর ঘটনা ঘটে।

শুক্রবার (২৪ জুন) বিকেলে সারা দেশের বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হেলথ ইমার্জেন্সি অপারেশন সেন্টার ও কন্ট্রোল রুমের এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।

প্রতিবেদনে জানানো হয়, দেশের ১০ জেলায় গত ৩৮ দিনে ৭৩ জন মারা গেছে। এর মধ্যে সিলেট বিভাগে ৪৭ জনের মৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সিলেট জেলায় এ পর্যন্ত ১৬ জনের মৃত্যু হয়েছে। সুনামগঞ্জে ২৬ জন, মৌলভীবাজারে ৩ জন এবং হবিগঞ্জে ২ জন মারা গেছেন।

ময়মনসিংহ বিভাগে বন্যাজনিত কারণে মৃত্যু হয়েছে ২২ জনের। এর মধ্যে ময়মনসিংহ জেলায় ৫ জন, নেত্রকোণা জেলায় ৮ জন, জামালপুর জেলায় ৬ জন এবং শেরপুর জেলায় প্রাণহানি হয়েছে ৩ জনের।

রংপুর বিভাগে এখন পর্যন্ত বন্যায় ৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। তবে রংপুর জেলায় কারো মৃত্যু হয়নি। কুড়িগ্রামে ৩ জন এবং লালমনিরহাটে ১ জন মারা গেছেন।

স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের ওই প্রতিবেদনে দেখা যায়, বন্যায় সারা দেশে পানিবাহিত বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়েছে। গতকাল পর্যন্ত বন্যায় বিভিন্ন রোগে আক্রান্তের সংখ্যা ৪ হাজার ৬১৪ জনে দাঁড়িয়েছে।

এতে বলা হয়, গত ১৭ মে থেকে ২৪ জুন পর্যন্ত দেশে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছেন ৩ হাজার ২৭৬ জন। তাদের মধ্যে এখন পর্যন্ত ডায়রিয়ায় একজনের মৃত্যু হয়েছে। আরটিআই (চোখের রোগ) রোগে আক্রান্ত হয়েছে ১৪৫ জন, এ রোগে কারো মৃত্যু হয়নি।

প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, বন্যাকবলিত এলাকায় বজ্রপাতে আক্রান্ত হয়েছেন ১৫ জন, তাদের মধ্যে ১৪ জনের মৃত্যু হয়েছে। সাপের দংশনে চারজন আক্রান্ত হয়েছেন, একজনের মৃত্যু হয়েছে। এ সময়ে পানিতে ডুবে মোট ৪৯ জনের মৃত্যু হয়।

চর্ম রোগে আক্রান্ত হয়েছেন ২৩৬ জন, চোখের প্রদাহজনিত রোগে আক্রান্ত হয়েছে ৭৮ জন, নানাভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হয়েছে ৮০ জন। এছাড়া অন্যান্য রোগে আক্রান্ত হয়েছে মোট ৭৩৫ জন, মারা গেছেন ৮ জন।