শিরোনামঃ
ভেজাল ওষুধের ছড়াছড়ি, নিতে হবে কঠোর ব্যবস্থা দাম্মাম রুটে বিমান ফ্লাইট চালু, ২৫ অক্টোবর থেকে রিয়াদে পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন

অপহরণের নাটক সাজিয়ে মুক্তিপণ চান ১ কোটি ৫ লক্ষ টাকা!

#
news image

ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলে দুই ভাইকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিলেন গাড়িচালক কামরুল। বড় ভাইকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে ছোট ভাইকে নিয়ে যান এক বন্ধুর বাসায়। সেখানে গিয়ে সাজান অপহরণের নাটক। সেই বন্ধুকে দিয়ে ফোন করান দুই ভাইয়ের বাবাকে। ছোট ছেলে জামিনুর রহমান (১১) ও গাড়িচালক কামরুলকে অপহরণ করা হয়েছে জানিয়ে দাবি করেন এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা। ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করে নেন ২০ লাখ টাকাও। পরে জামিনুরকে নিয়ে বাসায় ফেরেন চালক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (২০ মার্চ) সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশু জামিনুর রহমান ও গাড়িচালক কামরুল হাসানকে (২৮) অপহরণ করা হয়েছে বলে ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় অপহৃত শিশুর চাচা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, আমার ছোট ভাই আনিসুর রহমানের দুই ছেলে আমিনুর ও জামিনুর। বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ধানমন্ডি থেকে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের উদ্দেশে রওনা হয় গাড়ি চালক কামরুল হাসান। সাড়ে ৭টার দিকে আমিনুরকে ধানমন্ডি ১২ রোডে মাস্টারমাইন্ড স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে জামিনুরকে নিয়ে গাড়িচালক ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে রোড নং- ১০/এ মাস্টারমাইন্ড স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্র অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা অসত্রের মুখে জিম্মি করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ওই দিনই সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল করে এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নইলে শিশু ও চালককে হত্যা করা হবে বলে জানায়।

পুলিশ জানায়, পরিবারের লোকজন পুলিশকে না জানিয়ে অপহরণকারীদের কাছে ২০ লাখ টাকা পৌঁছে দেয়। পরে চালক ও তাদের সন্তান বাসায় ফিরে আসে। এর আদ্যোপান্ত জানার জন্য জামিনুর ও চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। কামরুলের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে হেফাজতে রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে চালক নিজেই অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ আরও জানায়, কামরুলের গ্রামের বাড়ি ভোলায়। ব্যবসায়ী আনিসুর রহমানের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করেন। ছেলেকে অপহরণ করতে পারলে একসঙ্গে অনেক টাকা পাওয়া যাবে এই লোভে পরিকল্পনা করেছিলেন। মুক্তিপণের টাকাও নিয়েছিলেন। নিজেও অপহৃত হওয়ার অভিনয়ও করেছেন। কিন্তু একপর্যায়ে সব স্বীকার করতে বাধ্য হন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, বুধবার বিকালেই অপহরণকারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বসিলা এলাকা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছিল।

নাগরিক প্রতিবেদন

২৩ মার্চ, ২০২৪,  9:20 AM

news image

ধানমন্ডির মাস্টারমাইন্ড স্কুলে দুই ভাইকে নামিয়ে দেওয়ার জন্য বাসা থেকে বের হয়েছিলেন গাড়িচালক কামরুল। বড় ভাইকে স্কুলে নামিয়ে দিয়ে ছোট ভাইকে নিয়ে যান এক বন্ধুর বাসায়। সেখানে গিয়ে সাজান অপহরণের নাটক। সেই বন্ধুকে দিয়ে ফোন করান দুই ভাইয়ের বাবাকে। ছোট ছেলে জামিনুর রহমান (১১) ও গাড়িচালক কামরুলকে অপহরণ করা হয়েছে জানিয়ে দাবি করেন এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা। ভয়ভীতি দেখিয়ে আদায় করে নেন ২০ লাখ টাকাও। পরে জামিনুরকে নিয়ে বাসায় ফেরেন চালক। কিন্তু শেষ রক্ষা হয়নি। পুলিশ তাকে গ্রেফতার করেছে।

পুলিশ জানিয়েছে, বুধবার (২০ মার্চ) সকালে স্কুলে যাওয়ার সময় শিশু জামিনুর রহমান ও গাড়িচালক কামরুল হাসানকে (২৮) অপহরণ করা হয়েছে বলে ধানমন্ডি মডেল থানায় একটি অভিযোগ করা হয়। এ ঘটনায় অপহৃত শিশুর চাচা হাবিবুর রহমান বাদী হয়ে ধানমন্ডি থানায় একটি মামলা করেছেন।

মামলার এজাহারে বাদী উল্লেখ করেছেন, আমার ছোট ভাই আনিসুর রহমানের দুই ছেলে আমিনুর ও জামিনুর। বুধবার সকাল সোয়া ৭টার দিকে ধানমন্ডি থেকে মাস্টারমাইন্ড স্কুলের উদ্দেশে রওনা হয় গাড়ি চালক কামরুল হাসান। সাড়ে ৭টার দিকে আমিনুরকে ধানমন্ডি ১২ রোডে মাস্টারমাইন্ড স্কুলে পৌঁছে দেওয়া হয়। পরে জামিনুরকে নিয়ে গাড়িচালক ৭টা ৪০ মিনিটের দিকে রোড নং- ১০/এ মাস্টারমাইন্ড স্কুলের সামনে পৌঁছামাত্র অজ্ঞাতনামা দুর্বৃত্তরা অসত্রের মুখে জিম্মি করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। ওই দিনই সকাল ১০টা ২০ মিনিটের দিকে একটি অজ্ঞাত নম্বর থেকে কল করে এক কোটি পাঁচ লাখ টাকা মুক্তিপণ দাবি করে। নইলে শিশু ও চালককে হত্যা করা হবে বলে জানায়।

পুলিশ জানায়, পরিবারের লোকজন পুলিশকে না জানিয়ে অপহরণকারীদের কাছে ২০ লাখ টাকা পৌঁছে দেয়। পরে চালক ও তাদের সন্তান বাসায় ফিরে আসে। এর আদ্যোপান্ত জানার জন্য জামিনুর ও চালককে জিজ্ঞাসাবাদ করেন পুলিশ কর্মকর্তারা। কামরুলের কথাবার্তা সন্দেহজনক মনে হলে তাকে হেফাজতে রেখে নিবিড়ভাবে জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। একপর্যায়ে চালক নিজেই অপহরণের সঙ্গে জড়িত থাকার কথা স্বীকার করেন।

পুলিশ আরও জানায়, কামরুলের গ্রামের বাড়ি ভোলায়। ব্যবসায়ী আনিসুর রহমানের গাড়িচালক হিসেবে কাজ করেন। ছেলেকে অপহরণ করতে পারলে একসঙ্গে অনেক টাকা পাওয়া যাবে এই লোভে পরিকল্পনা করেছিলেন। মুক্তিপণের টাকাও নিয়েছিলেন। নিজেও অপহৃত হওয়ার অভিনয়ও করেছেন। কিন্তু একপর্যায়ে সব স্বীকার করতে বাধ্য হন। তদন্ত সংশ্লিষ্ট একজন কর্মকর্তা জানান, বুধবার বিকালেই অপহরণকারীর দেওয়া তথ্য অনুযায়ী বসিলা এলাকা থেকে গাড়িটি উদ্ধার করা হয়েছিল।