শিরোনামঃ
পাকিস্তানে পুলিশ চেকপোস্টে আত্মঘাতী বোমা হামলায় ১১ জন নিহত জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল

বেইলি রোডে ভয়াবহ অগ্নিকাণ্ডে নিহত ৪৩ 

#
news image

রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪৩ জনের মৃতু্য হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নেভানোর পর হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও পস্নাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। এঘটনায় স্বাস্থমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মরদেহ এই দুই হাসপাতালে আছে। এর বাইরে আরও মৃত ব্যক্তি থাকতে পারে। এ ঘটনায় গুরম্নতর আহত ৮ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং ১৪ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন বলে স্বাস্থমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, তাঁদের সবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের একটি সাততলা ভবনে আগুন লেগেছে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় কাচ্চি ভাই নামের খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া ওপরের তলাগুলোতেও রয়েছে খাবারের দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় হয়। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটি প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ক্রেনের সাহায্যে ভবনের সপ্তম তলা ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের নামিয়ে আনতে থাকেন তাঁরা। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তখনো ভবনের ভেতরে ধোঁয়া ছিল। এরপর ভবনে তলস্নাশি চালিয়ে অচেতন অবস্থায় অনেককে বের করে আনেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিসের একটি ফ্রিজার ভ্যানে বেশ কয়েকজনকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

রাত সোয়া একটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ভবন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অচেতন অবস্থায় ৪৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। যাঁদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাঁদের মধ্যে ২১ জন নারী ও ৪ শিশু রয়েছে। এর বাইরে ১৫ জন নারীসহ ৭৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ভবনটির তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া অন্য সব তলায় রেস্তোরাঁ ছিল। এসব রেস্তোরাঁয় অনেক গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। সেগুলো বিস্ফোরিত হয়ে আগুন দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, এ ঘটনায় যাঁরা হতাহত হয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন। তাঁদের শরীরে পোড়ার ক্ষত তেমনটা দেখা যায়নি। ভবনে উদ্ধারকাজে যুক্ত ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী সাংবাদিকদের বলেন, ভবনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সিঁড়িতে বড় বড় গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। সেগুলোতে আগুন ধরে যাওয়ায় লোকজন বের হতে পারেননি। এ ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিস পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ওই ভবনে আর কোনো মৃতদেহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে আজ সকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আরেকবার তলস্নাশি চালাবেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।

নাগরিক প্রতিবেদন

০১ মার্চ, ২০২৪,  8:46 AM

news image

রাজধানীর বেইলি রোডে একটি বহুতল ভবনে অগ্নিকাণ্ডে অন্তত ৪৩ জনের মৃতু্য হয়েছে। গুরুতর আহত হয়েছেন অন্তত ২২ জন। এ ঘটনায় নিহতের সংখ্যা আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে। গতকাল বৃহস্পতিবার রাত পৌনে ১০টার দিকে ভবনটিতে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটে। আগুন নেভানোর পর হতাহত ব্যক্তিদের উদ্ধার করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল এবং শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও পস্নাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নেওয়া হয়। এঘটনায় স্বাস্থমন্ত্রী ডা. সামন্ত লাল সেন সাংবাদিকদের বলেন, অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৪৩ জন নিহত হয়েছেন। তাঁদের মরদেহ এই দুই হাসপাতালে আছে। এর বাইরে আরও মৃত ব্যক্তি থাকতে পারে। এ ঘটনায় গুরম্নতর আহত ৮ জন বার্ন ইনস্টিটিউটে এবং ১৪ জন ঢাকা মেডিকেলে চিকিৎসাধীন বলে স্বাস্থমন্ত্রী জানান। তিনি বলেন, তাঁদের সবার অবস্থাও আশঙ্কাজনক।

গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে বেইলি রোডের একটি সাততলা ভবনে আগুন লেগেছে। ভবনের দ্বিতীয় তলায় কাচ্চি ভাই নামের খাবারের দোকান রয়েছে। তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া ওপরের তলাগুলোতেও রয়েছে খাবারের দোকান। প্রতিদিন সন্ধ্যার পর থেকে খাবারের দোকানগুলোতে ক্রেতাদের ভিড় হয়। অনেকেই পরিবার নিয়ে সেখানে খেতে যান। প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ভবনটি প্রথম ও দ্বিতীয় তলায় আগুন লাগার পর তা ওপরের দিকে ছড়িয়ে পড়ে। কিছুক্ষণের মধ্যে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা এসে আগুন নেভানোর চেষ্টা করেন। পাশাপাশি ক্রেনের সাহায্যে ভবনের সপ্তম তলা ও ছাদে আশ্রয় নেওয়া ব্যক্তিদের নামিয়ে আনতে থাকেন তাঁরা। ফায়ার সার্ভিসের ১৩টি ইউনিটের চেষ্টায় রাত ১১টা ৫০ মিনিটের দিকে আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। তখনো ভবনের ভেতরে ধোঁয়া ছিল। এরপর ভবনে তলস্নাশি চালিয়ে অচেতন অবস্থায় অনেককে বের করে আনেন ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা। ফায়ার সার্ভিসের একটি ফ্রিজার ভ্যানে বেশ কয়েকজনকে নিয়ে যেতে দেখা যায়।

রাত সোয়া একটার দিকে ফায়ার সার্ভিসের মহাপরিচালক ব্রিগেডিয়ার জেনারেল মো. মাইন উদ্দিন সাংবাদিকদের বলেন, ভবন থেকে তিনজনের লাশ উদ্ধার করা হয়েছে। এ ছাড়া অচেতন অবস্থায় ৪৫ জনকে উদ্ধার করা হয়। যাঁদের অচেতন অবস্থায় উদ্ধার করা হয়, তাঁদের মধ্যে ২১ জন নারী ও ৪ শিশু রয়েছে। এর বাইরে ১৫ জন নারীসহ ৭৫ জনকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। মো. মাইন উদ্দিন বলেন, ভবনটির তৃতীয় তলায় একটি পোশাকের দোকান ছাড়া অন্য সব তলায় রেস্তোরাঁ ছিল। এসব রেস্তোরাঁয় অনেক গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। সেগুলো বিস্ফোরিত হয়ে আগুন দ্রম্নত ছড়িয়ে পড়ে। তিনি জানান, এ ঘটনায় যাঁরা হতাহত হয়েছেন, তাঁদের বেশির ভাগই ধোঁয়ায় শ্বাসকষ্টে ভুগেছেন। তাঁদের শরীরে পোড়ার ক্ষত তেমনটা দেখা যায়নি। ভবনে উদ্ধারকাজে যুক্ত ফায়ার সার্ভিসের একজন কর্মী সাংবাদিকদের বলেন, ভবনের ওপর থেকে নিচ পর্যন্ত সিঁড়িতে বড় বড় গ্যাস সিলিন্ডার ছিল। সেগুলোতে আগুন ধরে যাওয়ায় লোকজন বের হতে পারেননি। এ ঘটনা তদন্তে ফায়ার সার্ভিস পাঁচ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করেছে। ওই ভবনে আর কোনো মৃতদেহ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হতে আজ সকালে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা আরেকবার তলস্নাশি চালাবেন বলে পুলিশ সূত্রে জানা গেছে।