শিরোনামঃ
জিয়া পরিবারের তৃতীয় সদস্য হিসেবে জাতিসংঘে ভাষণ দিতে যাচ্ছেন তারেক রহমান নিরাপত্তাহীনতায় জনজীবন, কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে একনেক সভায় ১ লাখ ৬৮ হাজার কোটি টাকার ১২ প্রকল্পের অনুমোদন  ইউরোপের পথে প্রতারণা, দালালের ফাঁদে স্বপ্ন এখন বন্দিশালা!  গণতন্ত্র রক্ষা করাই এখন সবচেয়ে বড় দায়িত্ব: রাষ্ট্রপতি প্রথম ধাপে ৮০ উপজেলার ইউপি ভোট ১২ নভেম্বর, সাত ধাপে নির্বাচন নভেম্বরের মাঝামাঝিতে শুরু হবে স্থানীয় সরকার নির্বাচন লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না

সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে চাইল সরকার

#
news image

অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযান আগামী এপ্রিল থেকে শুরু হবে। উপজেলাওয়ারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে চেয়েছে সরকার। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে সম্প্রতি দেশের সব আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রককে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযান ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে। আসন্ন গম সংগ্রহ অভিযান, ২০২৪-এ উপজেলাওয়ারি লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করার লক্ষ্যে জেলার উপজেলাওয়ারি সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে  উপজেলাওয়ারি গম উৎপাদনের তথ্য আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে ই-মেইলসহ হার্ডকপি জরুরি ভিত্তিতে এ বিভাগে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে চিঠিতে প্রতিটি বিভাগের জেলাগুলোর প্রতি টন গম উৎপাদনের প্রকৃত ব্যয় (খাতওয়ারি) এবং কেজিপ্রতি সম্ভাব্য সংগ্রহ মূল্য পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য রাউন্ড ফিগারে (দশমিক ব্যতিত) পাঠাতে হবে। গম উৎপাদনের তথ্য পাঠানোর পর আর কোনো সংশোধনী গ্রহণ করা হবে না বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।

নাগরিক প্রতিবেদন

২৭ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  4:11 PM

news image

অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযান আগামী এপ্রিল থেকে শুরু হবে। উপজেলাওয়ারি লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করার লক্ষ্যে সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য জরুরি ভিত্তিতে চেয়েছে সরকার। খাদ্য অধিদপ্তর থেকে সম্প্রতি দেশের সব আঞ্চলিক খাদ্য নিয়ন্ত্রককে এ-সংক্রান্ত চিঠি পাঠানো হয়েছে। চিঠিতে বলা হয়, অভ্যন্তরীণ গম সংগ্রহ অভিযান ২০২৪ সালের এপ্রিল থেকে শুরু হবে। আসন্ন গম সংগ্রহ অভিযান, ২০২৪-এ উপজেলাওয়ারি লক্ষ্যমাত্রা ধার্য করার লক্ষ্যে জেলার উপজেলাওয়ারি সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য প্রয়োজন। সে লক্ষ্যে  উপজেলাওয়ারি গম উৎপাদনের তথ্য আগামী ১৪ মার্চের মধ্যে ই-মেইলসহ হার্ডকপি জরুরি ভিত্তিতে এ বিভাগে পাঠানোর জন্য অনুরোধ করা হলো। একই সঙ্গে চিঠিতে প্রতিটি বিভাগের জেলাগুলোর প্রতি টন গম উৎপাদনের প্রকৃত ব্যয় (খাতওয়ারি) এবং কেজিপ্রতি সম্ভাব্য সংগ্রহ মূল্য পাঠানোর অনুরোধ করা হয়েছে। সম্ভাব্য গম উৎপাদনের তথ্য রাউন্ড ফিগারে (দশমিক ব্যতিত) পাঠাতে হবে। গম উৎপাদনের তথ্য পাঠানোর পর আর কোনো সংশোধনী গ্রহণ করা হবে না বলে চিঠিতে উল্লেখ করা হয়েছে।