শিরোনামঃ
লাইসেন্স ছাড়া করা যাবে না কোনো খাদ্য ব্যবসা ইউনিয়ন পরিষদ দিয়েই স্থানীয় সরকারের নির্বাচন শুরু হবে : ইসি আনোয়ারুল দীর্ঘ সময় এসি চালালে যেসব ভুল করবেন না আলোচনা-সমঝোতায় দেশকে এগিয়ে নিতে রাজনৈতিক দলগুলোর প্রতি রাষ্ট্রপতির আহ্বান দূষণে অস্তিত্ব সংকটে দেশের নদীগুলো ভারতের কাছেও হারল বাংলাদেশ পূর্ব জার্মানির গুরুত্বপূর্ণ রাজ্য নির্বাচনে ভোট শুরু বাসযোগ্য পরিবেশ রেখে যেতে সবার দায়িত্বশীল হওয়ার আহ্বান প্রধানমন্ত্রীর ধর্মের ভিত্তিতে মানুষকে বিভক্ত করার কোনো সুযোগ নেই: মির্জা ফখরুল বিআরটিএর চট্ট্রগ্রাম মেট্রো-২ এ ঘুষ আদায়ের সিন্ডিকেট : উপ-পরিচালক সানাউক হকের ১২ সদস্য সক্রিয়

বিলুপ্তির পথে গ্রামীণ পরিবারের ঐতিহ্যবাহী শিলপাটা 

#
news image

মাছে ভাতে বাঙালী। ৩ বেলা খাবারেই ভাতের সঙ্গে খেতে হয় বিভিন্ন প্রকার তরকারি। আর এসব তরকারী রান্না করতে প্রয়োজন হয় মসলা। এই মসলা পিশানোর জন্য প্রয়োজন শিল পাটা। দৈন্দিন এই শিল পাটার বিকল্প নেই। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ব্যালেন্ডারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করায় বিলুপ্তর পথে বসেছে শিল পাটা। আবার এই শিলপাটা ধার করে সংসার চালাতো অনেকে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে পায়ে হেটে অলিতে গলিতে হাতুড়ি, বাটাল আর ছেনিথ ওইসব জিনিসের সাহায্যে ঠুকে ঠুকে করতো শিলপাটার ধার দেয়ার। এমন এক দৃশ্য আর দেখা যায় না। বর্তমানে শিলপাটার কদর না থাকায় এ পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশা বেছে নিয়েছে তারা।

উপজেলার ৭৬ বছর বয়সী মৃত আব্দুল জব্বারের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, গ্রামীণ সমাজের প্রত্যেক ঘরে ঘরে শিলপাটা ছিল রান্নার মসলা বাটার জন্য ডিজিটাল যুগের ছোঁয়ায় এখন মেশিনেই তৈরি হয় হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, গরম মসলা। শিলপাটার ব্যবহার এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। একই গ্রামের বয়োবৃদ্ধ ফয়জুন্নেছার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মিল কারখানার কারণে ধীরে ধীরে কমতে থাকে শিলপাটার ব্যবহার। এই অঞ্চলে শিলপাটা এখন বিলুপ্তির পথে। সবাই এখন প্যাকেট মসলা কিনে ও ব্যালেন্ডার করে খায়। রান্নায় রসদ জোগানো বিভিন্ন মসলা মিহি বা গুঁড়া করার জন্য এক সময় শিলপাটার বিকল্প বলতে কিছু ছিল না।

ঐ গ্রামের আনোয়ারা বেগম জানান, বিয়ে-শাদির অনুষ্ঠানে হলুদ বাটো মেন্দি বাটো...এইসব গান গাইতো আর শিলপাটা দিয়ে মেহেদি বাটতো। এছাড়াও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভোজনবিলাসী গৃহিণীরা হরেক রকম স্বাদের মসলাবাটা করে দিতেন। কালের আর্বতনে ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক, বাঙালির সমাজ ব্যবস্থার পারিবারিক অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শিলপাটার ব্যবহার।

শহিদুল ইসলাম খোকন, মতলব, চাঁদপুরের

০৬ ফেব্রুয়ারি, ২০২৪,  7:31 PM

news image

মাছে ভাতে বাঙালী। ৩ বেলা খাবারেই ভাতের সঙ্গে খেতে হয় বিভিন্ন প্রকার তরকারি। আর এসব তরকারী রান্না করতে প্রয়োজন হয় মসলা। এই মসলা পিশানোর জন্য প্রয়োজন শিল পাটা। দৈন্দিন এই শিল পাটার বিকল্প নেই। আধুনিকতার ছোঁয়ায় ব্যালেন্ডারসহ অন্যান্য যন্ত্রপাতি ব্যবহার করায় বিলুপ্তর পথে বসেছে শিল পাটা। আবার এই শিলপাটা ধার করে সংসার চালাতো অনেকে। এক গ্রাম থেকে অন্য গ্রামে পায়ে হেটে অলিতে গলিতে হাতুড়ি, বাটাল আর ছেনিথ ওইসব জিনিসের সাহায্যে ঠুকে ঠুকে করতো শিলপাটার ধার দেয়ার। এমন এক দৃশ্য আর দেখা যায় না। বর্তমানে শিলপাটার কদর না থাকায় এ পেশা পরিবর্তন করে অন্য পেশা বেছে নিয়েছে তারা।

উপজেলার ৭৬ বছর বয়সী মৃত আব্দুল জব্বারের স্ত্রী আলেয়া বেগম বলেন, গ্রামীণ সমাজের প্রত্যেক ঘরে ঘরে শিলপাটা ছিল রান্নার মসলা বাটার জন্য ডিজিটাল যুগের ছোঁয়ায় এখন মেশিনেই তৈরি হয় হলুদ, মরিচ, ধনিয়া, গরম মসলা। শিলপাটার ব্যবহার এখন আর তেমন চোখে পড়ে না। একই গ্রামের বয়োবৃদ্ধ ফয়জুন্নেছার সঙ্গে কথা হলে তিনি বলেন, মিল কারখানার কারণে ধীরে ধীরে কমতে থাকে শিলপাটার ব্যবহার। এই অঞ্চলে শিলপাটা এখন বিলুপ্তির পথে। সবাই এখন প্যাকেট মসলা কিনে ও ব্যালেন্ডার করে খায়। রান্নায় রসদ জোগানো বিভিন্ন মসলা মিহি বা গুঁড়া করার জন্য এক সময় শিলপাটার বিকল্প বলতে কিছু ছিল না।

ঐ গ্রামের আনোয়ারা বেগম জানান, বিয়ে-শাদির অনুষ্ঠানে হলুদ বাটো মেন্দি বাটো...এইসব গান গাইতো আর শিলপাটা দিয়ে মেহেদি বাটতো। এছাড়াও সামাজিক বিভিন্ন অনুষ্ঠানে ভোজনবিলাসী গৃহিণীরা হরেক রকম স্বাদের মসলাবাটা করে দিতেন। কালের আর্বতনে ঐতিহ্যের ধারক ও বাহক, বাঙালির সমাজ ব্যবস্থার পারিবারিক অঙ্গন থেকে হারিয়ে যাচ্ছে শিলপাটার ব্যবহার।